আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন ঘিরে কসবা উপজেলায় সাজ সাজ রব


 নিজস্ব প্রতিবেদক : আসছে আগামী ১৪ ই মে কসবা উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন, সে উপলক্ষে কসবাতে সাজ সাজ রব, এপর্যন্ত প্রায় ৬ জনের মতো প্রার্থী নাম শোনা যাচ্ছে সাবেক সাধারন সম্পাদক কাজি আজাহারুল ইসলাম, সাবেক সাধারন সম্পাদক উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট আনিছুল হক, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রুহুল আমিন ভুইয়া বকুল, তৃণমুলের ত্যাগী নেতা জনাব তসলীমুর রেজা, বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব রাশেদুল কায়সার ভুইয়া জীবন, সর্ব কনিস্ট ছাত্রলীগ থেকে আসা সাবেক মেয়র এমরান উদ্দিন জুয়েল।

ব্যানার, ফেস্টুন ও গেইটে কসবাতে সাজ সাজ রব, কে হবে আগামীতে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের বিশ্বস্ত হাতিয়ার, কসবা আওয়ামীলীগের সেকেন্ড ইন কমান্ড ? এই প্রশ্ন সবার মনেই ঘুর পাক খাইচ্ছে!
কাজী আজাহারের বাড়ি শাহপুর, সাবেক এমপির খাস লোক বলে প্রচারনা আছে মাঠে, শাহপুরে কিছুদিন আগে মেয়র দেওয়া হয়েছে, তার যথেস্ঠ জনপ্রিয়তা থাকলেও দুটি কারন সমস্যা করতে পারে।

সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইতিমধ্যে উনার চেয়ারম্যান পদে এডভোকেট আনিছুল হক যোগ্যতা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন, উনার বিরুদ্ধে বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোও তুলেছিলো। উনাকে সবায় দুর্বল নেতা হিসাবেই জানে!

সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রুহল আমিন ভুইয়া বকুল জাতীয় পার্টি থেকে আওয়ামীলীগে আসায় সম্ভাবনা তেমন নেই।

বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান একাধারে জেলার নেতা থানার যুগ্ন সম্পাদক, সাবেক এপিএস, বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান একজনের এতোগুলি পদ থাকার পর আবারও সাধারন সম্পাদক দিলে রাজনীতি টা মন্ত্রী মহোদয় ও উনার মধ্যেই সিমাবদ্ধ হয়ে যেতে পারে, এব্যাপারে জনমনে প্রচুর গুন্জন আছে ।

জনাব তসলীমুর রেজা খুবই বিচক্ষণ, ত্যাগী ও সাহসী নেতা, মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের মাঠে আসার পথ প্রশ্বস্ত করতে জনাব তসলীমুর রেজার নেতৃত্বেই কসবার তৃণমুলের সকল নেতা কর্মীরা ঝাপিয়ে পরেছিল এবং মামলা হামলা ও নির্যাতনের স্বিকার হয়ে শতভাগ সফলও হয়েছিলেন।
উনার বাড়িতেই মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের প্রথম রাজনৈতিক যাত্রা, সে হিসাবে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের একটা সফট কর্নার উনার প্রতি আছে, যদিও মাঝখানে ষড়যন্ত্র করে মন্ত্রী মহোদয় থেকে উনাকে দুরে সরানো হয়েছিল।

সর্ব কনিস্ট এমরান উদ্দিন জুয়েল, তিনি ছাত্রলীগের সভাপতি থাকা কালিন মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় উনাকে মেয়র পদে মনোনয়ন দিয়ে নির্বাচিত করেছিলেন, দ্বিতীরবার দেননি, জনস্রোত অাছে উনি যুবলীগ- না করে এতো অল্প বয়সে সেটা কি হতে পারবে, বয়সের সিমাবদ্ধতা না থাকলেও মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে মানান সই হবে কিনা ? বা সকল সিনিয়র নেতারা না অাবার বেকে বসে ইত্যাদি কারনে একটা সন্দেহ রয়েই গেছে।

তবে বর্তমানে সাবেক মেয়র ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মাঠ চুষে বেড়াচ্ছেন, তাদের ব্যানার ফেস্টুনে কসবা সাজ সাজ ভাব- অনেকেই বলাবলি করছে কসবা উপজেলা চেয়ারম্যানই পাইতে পারে, তবে সাবেক মেয়রের লবিং বেশি শক্তিশালী হলে সেও পাইতে পারে যদি মন্ত্রি মহোদয়ের সুদৃস্টি থাকে, দুইজনের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলে শেষ পর্যন্ত লাভবান হতে পারেন তৃণমূলের ত্যাগী ও সাহসী নেতা তসলীমুর রেজা।

তৃণমুলের ত্যাগী ও সাহসী নেতা জনাব তসলীমুর রেজা, কারন উনিই একমাত্র নেতা বিগত দিনে মন্ত্রী মহোদয়ের খুব কাছের লোক হয়েও কোন সুবিধাদি নেননি, বিরল সাংগঠনিক নেতৃত্বের অধিকারি তসলীমুর রেজা একজন সৎ সাহসী নেতা, মানবিকও বটে। শেষ পর্যন্ত দেখা যাক বিজয়ের মালা মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় কাকে পরায়।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.