১৪ই মে কসবা উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রী-বার্ষিক সম্মেলন


নিজস্ব প্রতিবেদক :
জমে উঠেছে কসবা উপজেলা অাওয়ামীলীগের ত্রী- বার্ষিক সম্মেলন, সম্মেলনে বর্তমানে দুইজন প্রার্থীর তোড়জোড় বেশি দেখা যাচ্ছে, অারেক জন ফেসবুক লেখালেখি ও হাল্কা গগণসংযোগ করছেন জনাব তসলীমুর রেজা, প্রার্থী হিসাবে অাছে সাবেক সাধারন সম্পাদক কাজি অাজাহারুল ইসলাম ,ফেসবুকে ঘোষনা ছাড়া অন্য কোন কার্য্যক্রম বলতে গেলে নাই- বাকি দুইজনের একজন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সবুজ সংকেত না পাওয়ায় নির্বাচন করবেন না, অন্যজন প্রার্থী না থাকার মতোই-


বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান রাসেদুল কায়সার ভুইয়া জীবন উপ-জেলার মাঠ চুষে বেড়াচ্ছেন, প্রায় দুই শতাধিক গেইট তোরণ নির্মান, ব্যানার পোস্টারে ছেয়ে ফেলেছেন।

তাহার কর্মী সমর্থকরা দাবী করছেন শতভাগ তাদের প্রার্থী জনাব রাসেদুল কায়সার ভুইয়া জীবনই হবে অাগামী উপজেলা সাধারন সম্পাদক, এবং উনার কোন বিকল্প নাই।


সদ্য ছাত্রলীগ ছেড়ে অাসা সাবেক মেয়রও প্রায় শতাধিক গেইট, তোরণ নির্মান করেছেন, ব্যানার পোস্টারে তিনিও ছেয়ে ফেলেছেন,উপজেলার সব জায়গায় মাঠ চুষে বেড়াচ্ছেন, তাহার কর্মী সংসর্থকদের দাবী সাবেক মেয়র জুয়েল বর্তমানে পদ শুন্য থাকায় তাহাকেই এই পদ টি দিবেন এমন ইংগিতই মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় দিয়েছেন বলে ইঙ্গিত করেছেন।


জনাব তসলীমুর রেজাও হালকা গণ-সংযোগ, ও ফেসবুক প্রচার প্রচারনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন, গেইট তোরণ ও ব্যানার পোস্টার করে কোন টাকা খরচ করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি বলেন অামি এতো টাকা ইনকাম করিনি যে তা ব্যয় করবো, উনার দাবী দলের মঙ্গল চাইলে, গ্রুপিং লবিংমুক্ত দল চাইলে তৃণমুলের নেতাকর্মীরা ও মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ই উনাকে সাধারন সম্পাদক বানাবে । তার কর্মী সমর্থকদের দাবী মন্ত্রী মহোদয় প্রথমে মাঠে অাসা ও পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে জনাব তসলীমুর রেজার সাথে যে কথা ও শলা পরামর্শ হয়েছে সেগুলি যদি মন্ত্রী মহোদয়ের স্মরণ হয়, তাহলে উনাকেই সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব দিবেন ।


অপর প্রার্থী কাজি অাজাহারুল ইসলাম ফেসবুকে ঘোষনা দেওয়ার পর অার কোন প্রচার প্রচারনা নেই, নাম না বলার শর্তে জনৈক নেতা বলেন সাবেক মেয়র সাহেবকে যদি কোন কারনে না বানানো যায় সে ক্ষেত্রে তাহারা সবায় সাবেক সাধারন সম্পাদকের দিকে জোকে পরবে।


প্রতিবেদকের কথা, অামাদের প্রতিবেদকের প্রতিবেদন, তিনদিন কসবা উপ-জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন, গ্রাম, বাজারে ঘুড়াগুড়ি করে, সাধারন লোকজনের সাথে কথা বলে বুঝতে পেরেছি, সাধারন লোকজন বলাবলি করছে বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান এতো গুলি পদ পাওয়ার পরও অাবার সাধারন সম্পাদকের জন্য এতো দৌড়ঝাঁপ করছেন কেনো ? দলের মধ্যে তো অারও ত্যাগী ও সিনিয়র নেতা অাছে, উনাদেরকেও তো উনি সমর্থন করতে পারেন,

যদি এতোই জনপ্রিয় ও মন্ত্রী মহোদয়ের বিশ্বস্ত হয়ে থাকেন তাহলে এতো গেইট তোরণ,পোস্টার ব্যানার, গণ-সংযোগ করছেন কেনো ?


সাবেক মেয়র বয়সে ছোট হওয়ায় অনেকেই বলাবলি করছেন উনার প্রার্থী হওয়ার বৈধতা থাকলেও এটা সিনিয়দের সাথে বেয়দবির সামিল, উনি বড়জোর যুবলীগের সভাপতি হতে পারতেন, সিনিয়র অনেক নেতাকে বলতে শুনেছি সাবেক মেয়রকে সাধারন সম্পাদক দিলে উনি অাওয়ামীলীগ অার করবেন না, সব সিনিয়ররা চুপষে যাবে।


দলের তৃণমুল পর্যায়ে জনাব তসলীমুর রেজার একটা ব্যাপক জনপ্রিয়তা লক্ষ করা গেছে, উনাকে সাধারন জনগন, সৎ সাহসী, নীতিবান ও অান্দোলন সংগ্রামের নায়ক হিসাবেই চিনে, বর্তমানে উনি জেলা যুবলীগের নির্বাহী সদস্য হলেও কসবাতে কোন পদবী নাই,উনার একটা বড় কিছু পাওয়া দরকার। মন্ত্রী মহোদয়ের মাঠে অাসার ব্যাপারে উনার সাহসী ভুমিকা সর্বমহলে প্রশংসিত।


সাবেক সম্পাদক কাজি অাজাহার মোটামোটি জনপ্রিয় হলেও সাবেক এমপির লোক হিসাবে উনার একটা প্রচারনা মাঠে অাছে-


সাধারন জনগন ও তৃণমুল পর্যায়ের অনেক নেতাকর্মীদের মনে প্রশ্ন একটা গেইট করতে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়, এরকম শত শত গেইট করতে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় হচ্ছে তাদের এই টাকার উৎ কোথায় ? অাগে তাদের কি ছিলো ?


তবে সাবেক মেয়র ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান এর মধ্যে মাঠ পর্যায়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে, কেউই নিশ্চিত দিয়ে বলতে পারবেনা ১৪ ই মে কে হবেন কসবা অাওয়ামীলীগের দ্বিতীয় ব্যাক্তিটি, তবে বেশির ভাগ নিরপেক্ষ ব্যাক্তিই বলাবলি করছেন মন্ত্রী মহোদয় শেষ পর্যন্ত দুই গ্রুপের চাপ সয্য করতে না পেরে, দলের মঙ্গলের জন্য তৃতীয় কোন প্রার্থী বা সিনিয়র কোন নেতাকে বেছে নিতে পারেন, সিনিয়দের মধ্যে অাছে,সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট অানিছুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল্লাহ, জনাব তসলীমুর রেজা।


শেষ পর্যন্ত জয়ের মালা কে পরে সেটা মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ই ভাল বলতে পারবেন-- 

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.